সপ্তাহান্তে জমায়েত হয়েছে
আদ্যিকালের মেসে। ছেলে-মেয়ে মিলে সংখ্যা অনেক। ওই অঞ্চলে টানা দশ বছর কাটানো উপলক্ষে
রাতভর পার্টি। আনুষঙ্গিক ফুর্তিফার্তায় ডায়োনাইসাসের কৃপাও রয়েছে
পুরোদস্তুর। তা, ভোর এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে উদ্ভট দাবী-দাওয়াও বাড়ছে বৈকি সঙ্গে
সঙ্গে পাল্লা দিয়ে। নির্মাল্য দাবী করলো- ‘পদ্য লেখা কম্পিটিশন হোক...’ শুনেই
অধিকাংশ সদস্য ঝিমিয়ে পড়লো। একজন অবস্থা বুঝে বার খাওয়ালো- ‘তোরাই লেখ- আমরা
ভাল-মন্দ বিচার করি...’ অবশেষে মুরগি পড়ে থাকলাম দু’জন- নিমু আর আমি। নিমু বলল, আমার
বিষয় হবে ‘হতাশা’; আমি ওকে বিষয় দিলাম- ‘খিস্তি’। পরের দিন জানতে পারি- স্টার্ট
বলার সঙ্গে সঙ্গে আমরা নাকি ঝড়ের গতিতে লেখা শুরু করি। লেখা শেষ মিনিট পাঁচেকের
মধ্যেই। প্রথমে নির্মাল্য পড়ে শোনায়, তারপর আমি। এখন স্বীকার করতে লজ্জা নেই-
নিজেরটাই ভালো করে বুঝতে পারিনি- নিমুরটা কি বুঝবো!
সব হয়ে যাওয়ার পর অরুণাভ (যে কিনা তার আগে অবধি মাটিতে ভোঁস ভোঁস করে ঘুমোচ্ছিল) জড়ানো গলায় গম্ভীরভাবে বলল- ‘কেউ জেতেনি, কেউ হারেনি, জিতেছে কবিতা’। আমার ধারণা, আমরা যতক্ষণ লিখছিলাম, তখন, ও কি বলবে তার মকশো করছিলো। সে যাক গে, কি ছাইপাঁশ লিখলাম আমরা? এই যে-
সব হয়ে যাওয়ার পর অরুণাভ (যে কিনা তার আগে অবধি মাটিতে ভোঁস ভোঁস করে ঘুমোচ্ছিল) জড়ানো গলায় গম্ভীরভাবে বলল- ‘কেউ জেতেনি, কেউ হারেনি, জিতেছে কবিতা’। আমার ধারণা, আমরা যতক্ষণ লিখছিলাম, তখন, ও কি বলবে তার মকশো করছিলো। সে যাক গে, কি ছাইপাঁশ লিখলাম আমরা? এই যে-







