কি ও কেন?

ফুলগুলি যেন...
'কথা' তো ছিলই, তবে কেন আবার ঝোপের মধ্যে আরেকটা মশা? কেন আবার বিচ্ছিন্নতাবাদী ষড়যন্ত্র? কারণ নয়, কিছু ছবি দিতে পারি...

মোদ্দা কথা, মাথায় পোকা না নড়লে কেউ এ সব করে না, তাই কিছু স্বতন্ত্র পোকা ও ফুলের ছবি তুলে রাখা হলো।

কিছু ফুল মালায় যায় না, মাথায় যায়, নয়তো পায়ের তলায়- ও সব মালায় নিলে মালা নষ্ট।

যেমন ধরুন, স্নান করতে গিয়ে মনে হলো, 'শ্রদ্ধা আর আনুগত্য এক গাছের ফল নয়, কলম করতে হয়।' অত্যন্ত ভারি কথা- ভারে মাথা হেঁট হলো, নাকি আঁতলামির লজ্জায়, সেটা বুঝবো পরে, আগে এই কথাটা তো কোথাও লিখে রাখতে হবে, নাকি? একটা মানুষ বেঁচেবর্তে ঘুরে বেড়াচ্ছে, খাচ্ছে-দাচ্ছে, তালবাদ্য সহযোগে বগল বাজাচ্ছে, আর তার কথাগুলো বাষ্প হয়ে মিলিয়ে যাচ্ছে কলতলা থেকে কন্যাকুমারী, তা তো হতে পারে না। হলোই বা সে সব কথা ছোট, গুরুত্বহীন, নিজস্ব। তাদেরও তো দাম আছে, তাদের বাবার কাছে।

সন্তান তো আর সাফল্য নয়।

তাই যে সব বাজে গপ্পো নিজেদের কাজ ফেলে আরও বেশি বাজে গপ্পের জন্ম দিতে গুছিয়ে বসেছে, তাদের উগরে দেওয়ার জায়গা হলো।


পুনশ্চ: তাৎক্ষণিক গুলো সব ৫ - ১০ মিনিটের মধ্যে লেখা... কোন কোনটা আবার পদ্য লেখার খেলার সময়, তাই সাহিত্যগুণ নিয়ে মোট্টে মাথাব্যথা নেই। আবার, ভেবে দেখলে, সেরকম কোনটাই বা নয়?